গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন, পিঠের ব্যথা বা বারবার বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজনে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটা খুব স্বাভাবিক। তবে মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। নিচে কিছু টিপস দেওয়া হলো যা আপনাকে সাহায্য করতে পারে:
১. সঠিক পজিশনে ঘুমানো
গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে বামে কাত হয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে হৃদপিণ্ড থেকে প্লাসেন্টায় রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত হয়।
২. আলোর নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ
একটি অন্ধকার এবং শান্ত ঘর গভীর ঘুমের জন্য সহায়ক। যদি আপনার ঘরে বাইরের আলো আসে বা দিনের বেলা ঘুমানোর প্রয়োজন হয়, তবে একটি ভালো মানের 3D Sleep Eye Mask ব্যবহার করতে পারেন। এই মাস্কগুলো চোখের ওপর বাড়তি চাপ দেয় না এবং চোখের চারপাশ সম্পূর্ণ অন্ধকার রাখে, যা দ্রুত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হতে সাহায্য করে।
৩. বালিশের ব্যবহার
সাধারণ বালিশের বদলে প্রেগন্যান্সি পিলোর সাহায্য নিতে পারেন। হাঁটু ভাঁজ করে দুই হাঁটুর মাঝখানে একটি বালিশ রাখলে কোমরের ও পিঠের ব্যথায় বেশ আরাম পাওয়া যায়।
৪. খাবারের অভ্যাসে পরিবর্তন
রাতে ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। ঘুমানোর ঠিক আগে বেশি পানি না খেয়ে দিনের বেলা বেশি করে পানি পান করুন, যাতে রাতে বারবার বাথরুমে উঠতে না হয়।
৫. রিলাক্সেশন টেকনিক
ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করা অথবা হালকা স্ট্রেচিং করা যেতে পারে। এছাড়া মোবাইল বা ল্যাপটপের নীল আলো থেকে দূরে থাকতে বই পড়ার অভ্যাস করতে পারেন।
প্রো-টিপ: গর্ভাবস্থায় চোখের চারপাশের সেনসিটিভিটি বেড়ে যায়। তাই একটি সফট মেমোরি ফোমের 3D Sleep Eye Mask আপনার চোখের চারপাশকে আরাম দেবে এবং চোখের পাতা বা ল্যাশ-এ কোনো ঘর্ষণ তৈরি না করেই আপনাকে নিরবচ্ছিন্ন ঘুম উপহার দেবে।
গর্ভাবস্থায় ভালো ঘুম মানেই একটি সুস্থ ও হাসি-খুশি আগামীর শুরু। নিজের যত্ন নিন এবং সুন্দরভাবে বিশ্রাম করুন।